মনোস্বাস্থ্যের গুরত্ব কতটুকু আমাদের জীবনে?

মনোস্বাস্থ্য সমস্যা হলে তার প্রভাব কিন্তু সরাসরি শরীরে পড়ে। একটা উদাহরণ দিয়ে বলি, পরীক্ষার আগে আমাদের অ্যাংজাইটি বা উদ্বিগ্নতা, ‍দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। মনে চাপ পড়ার কারণে মাথা ব্যথা, খাওয়ার রুচি কমে বা বেড়ে যাওয়া, ঘুম কমে যাওয়া, ক্লান্তবোধ করা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, হজম সমস্যা এমনকি ব্রণের মতো ত্বকের সমস্যা হয়। 

মনোস্বাস্থ্যের গুরত্ব কতটুকু আমাদের জীবনে?

এই তালিকা বড় হতেই থাকে যদি স্ট্রেস বেশি পড়ে। কখনো কখনো সহিংস, অন্যকে ছোট করে দেখা, এমনকি নিয়মিত ধূমপান এবং মাদকে আসক্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মনোস্বাস্থ্যের গুরত্ব-Importance of Mental Health


মনোস্বাস্থ্য সমস্যা হলে তার প্রভাব কিন্তু সরাসরি শরীরে পড়ে।

শুরুতেই বলা হয়েছে, এটি শুধু ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি পারিবারিক, কর্মজীবন ও অর্থনৈতিক জীবনে প্রভাব ফেলে। যখন কোনো পরিবারে মনোস্বাস্থ্য সংকটে কেউ ভোগেন সেই পরিবারে দেখা যায় একধরনের অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা। 


মন স্থিতিশীল না হলে দক্ষতার সঠিক প্রয়োগ করতে পারেন না ব্যক্তি। ফলে যাঁরা কেয়ারগিভার বা দেখাশোনার দায়িত্বে থাকেন, তাঁদের ওপর চাপ বেশি পড়ে। তাঁদেরও মনোস্বাস্থ্য সংকট দেখা দেয়। সে কারণে যাঁর যাঁর জায়গা থেকে এ বিষয়ে জড়তা, ভয়, দ্বিধা ও কুসংস্কারকে পাশ কাটিয়ে মনের সুস্থতার দিকে নজর দিতে হবে।

সুস্থ থাকতে হলে মনের যত্ন নিতেই হবে

ফলে জীবনে ভালো থাকতে হলে, সুস্থ থাকতে হলে মনের যত্ন নিতেই হবে। মনোস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হতে হবে। 

মনের যত্ন নিতেই হবে-You must take care of your mental health


তাই এবিষয়টি বেশি করে প্রচার করা উচিত। এতে করে আত্মহত্যা ও সামাজিকভাবে হেয় করার ঘটনা কমবে। ভবিষ্যতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে উন্নত করতে সহায়তা করবে।

Comments